ভোলার চরফ্যাশনের সামরাজ মৎস্যঘাটে নিষেধাজ্ঞা শেষে ট্রলারগুলো ফিরলেও বড় একটি অংশে মিলছে পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত ইলিশ। জেলেদের অভিযোগ, ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলাকালে আড়তদারদের দাদনের চাপের মুখে বাধ্য হয়েই তারা সাগরে মাছ শিকারে গিয়েছিলেন। চরফ্যাশনের তিন শতাধিক আড়তদারের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জেলেদের সাগরে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। পর্যাপ্ত বরফ না থাকায় মাছের বড় একটি অংশ পচে নষ্ট হয়ে গেছে।
ঘাট ও বাজারে পচা ইলিশের ছড়াছড়ি থাকলেও ক্রেতাদের চড়া দামে তা কিনতে হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ইলিশ বিক্রিতে ৭ শতাংশ এবং অন্যান্য মাছ বিক্রিতে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন নিচ্ছেন আড়তদাররা, যার ফলে মাছের দাম বেড়ে দ্বিগুণ হচ্ছে।
সামরাজ মৎস্যঘাটের আড়তদার অহিদ মাঝি জানান, এই ঘাটে ৯৮ জন আড়তদারের প্রায় দেড়শ কোটি টাকা বিনিয়োগ রয়েছে। তবে জেলেদের সাগরে পাঠানো ও পচা ইলিশের বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু জানান, মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে অভিযান চললেও সাগরের দায়িত্ব কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর, এবং আড়তদারদের নির্দেশে জেলে পাঠানোর বিষয়টি তাঁর জানা নেই। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন জানান, সাগরের অভিযান আয়ত্তের বাইরে হলেও আগামীতে তথ্য পেলে অসাধু জেলেদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
খবরটি ৩টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে — সময়ের কণ্ঠস্বর, দীপ্ত নিউজ, সময় টিভি। বিস্তারিত ও নিশ্চিত তথ্যের জন্য নিচের মূল সূত্রগুলো দেখুন।
এই সারসংক্ষেপ মূল সংবাদমাধ্যমের তথ্য থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি। বিস্তারিত ও নিশ্চিত তথ্যের জন্য মূল সূত্র দেখুন।
মনপুরা প্রেসক্লাব সম্পাদকের বাবা মারা গেছেন
মনপুরায় ভিটি বরাদ্দ বাতিলের দাবিতে ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ
চরফ্যাশনে কালবেলার চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
চরফ্যাশনে লগি-বৈঠার হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ