প্রচলিত আমন ধানের চেয়ে বেশি ফলন পাওয়ায় গোপালগঞ্জের কৃষকদের মধ্যে বিনা ধান-২৬ চাষে আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। চলতি আমন মৌসুমে সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের পশ্চিম শুকতাইল গ্রামের কৃষক মহব্বত হোসেন এ জাতের ধান আবাদ করে বিঘাপ্রতি সাড়ে ৩২ মণ ফলন পেয়েছেন। অথচ আগে একই জমিতে প্রচলিত জাতের ধান চাষ করে তিনি সর্বোচ্চ ১৮ মণ ফলন পেতেন।
মহব্বত হোসেনের মতো জেলার আরও প্রায় ৪০০ জন কৃষক বিনা ধান-২৬ আবাদ করে ভালো ফলন পেয়েছেন। তাদের মধ্যে মো. শহীদ সর্দার ও মো. ইলিয়াসসহ অনেকে রয়েছেন। এই ধানের জীবনকাল ১২২ দিন এবং এটি জলাবদ্ধতা ও রোগবালাই সহনশীল। এর গড় ফলন হেক্টরপ্রতি ৬.৫ থেকে ৭ টন।
এই সাফল্য উপলক্ষে কৃষক মহব্বত হোসেনের জমিতে বিনা ধান-২৬-এর মাঠ দিবস ও ফসল কর্তন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর গোপালগঞ্জের উপপরিচালক ড. মামুনুর রহমান, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) গোপালগঞ্জ উপকেন্দ্রের ইনচার্জ ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. হারুন অর রশীদ এবং গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাফরোজা আক্তারসহ জালালাবাদ ইউনিয়নের অর্ধশতাধিক কৃষক।
খবরটি ২টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে — দেশ রূপান্তর, dainikmohona.com। বিস্তারিত ও নিশ্চিত তথ্যের জন্য নিচের মূল সূত্রগুলো দেখুন।
এই সারসংক্ষেপ মূল সংবাদমাধ্যমের তথ্য থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি। বিস্তারিত ও নিশ্চিত তথ্যের জন্য মূল সূত্র দেখুন।
গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড