লালমনিরহাটের বাসিন্দা ও বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা মানুষ গণশৌচাগারের অভাবে কঠিন পরিস্থিতিতে ভুগছেন। বিশেষ করে নারী, শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিরা শৌচাগারের অনুপলব্ধতার কারণে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির সম্মুখীন।
পৌরসভা ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্মিত ১৪টি গণশৌচাগারের অধিকাংশই তালাবদ্ধ, পরিত্যক্ত অথবা ব্যবহারযোগ্য নয়। এদের মধ্যে ডিপিএইচইর নয়টি এবং পৌরসভার পাঁচটি; বেশিরভাগ শৌচাগার নির্দিষ্ট স্থাপনা, মসজিদ, ঈদগাহ মাঠ ইত্যাদির ভিতরে রয়েছে এবং সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত নয়।
স্থানীয় চিকিৎসক, প্রকৌশলী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা বিদ্যমান শৌচাগার সংস্কার, নতুন শৌচাগার নির্মাণ এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনা দাবি করছেন। তারা উল্লেখ করেন যে শহরের জনসংখ্যা ও জেলা কেন্দ্রের সেবা গ্রহণকারী ১ লাখ ৫৮ হাজার ৭২৬ জনের ওপর অতিরিক্ত চাপ রয়েছে, যা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনস্বাস্থ্যের জন্য জরুরি পদক্ষেপের প্রয়োজন।
খবরটি ৩টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে — Daily Gonokantho, দৈনিক গণকন্ঠ, talashbd.com। বিস্তারিত ও নিশ্চিত তথ্যের জন্য নিচের মূল সূত্রগুলো দেখুন।
এই সারসংক্ষেপ মূল সংবাদমাধ্যমের তথ্য থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি। বিস্তারিত ও নিশ্চিত তথ্যের জন্য মূল সূত্র দেখুন।
লালমনিরহাটের সেই ক্লিনিক সিলগালা
লালমনিরহাটে সিজারের পর প্রসূতির মৃত্যু, ক্লিনিক পলাতক
লালমনিরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নারীর মৃত্যু
আওয়ামী লীগের অপশাসনে বহু সম্পত্তি বেহাত হয়েছে: দুলু
লালমনিরহাটে শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন