নোয়াখালী সদর উপজেলার কাদিরহানিফ ইউনিয়নের দরবেশপুর গ্রামের বাসিন্দা বিবি রহিমা প্রতিবেশীর কাছ থেকে ১০টি হাঁসের ডিম সংগ্রহ করে দেশি মুরগির নিচে দিয়ে বাচ্চা ফুটিয়েছিলেন। সেখান থেকে শুরু করে দীর্ঘ ২৩ বছরে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে জমি ইজারা নিয়ে তিনি এখন প্রায় ১৬ একরের একটি সমন্বিত কৃষি খামার গড়ে তুলেছেন। জেলা শহর মাইজদী থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে গড়ে ওঠা এই খামারে মাছের ঘের, গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি, শাকসবজি ও ফলদ বাগান রয়েছে।
অভাবের সংসারে স্বামীর পাশাপাশি কিছু করার চিন্তা থেকে এই খামারের যাত্রা শুরু হয়েছিল। ডিম বিক্রি করে ছাগল ও পরে গরুর বাছুর কেনার মাধ্যমে তাঁর পশুর সংখ্যা বাড়তে থাকে। বর্তমানে তাঁর খামারে ৮টি গরু, ১৩-১৪টি ছাগল, ৫০০টির বেশি হাঁস, ৩৫০টি দেশি মুরগি এবং রুই, কাতলা, তেলাপিয়া ও পাঙাশ মাছের চাষ রয়েছে।
খামারের কাজে বিবি রহিমাকে তাঁর স্বামী ও সন্তানেরা সহযোগিতা করেন এবং নিয়মিত চার-পাঁচজন শ্রমিক কাজ করেন। বাজারের ওপর নির্ভর না করে তিনি নিজের খামারেই হাঁস-মুরগির বাচ্চা এবং বীজ থেকে চারা উৎপাদন করে থাকেন।
খবরটি ১টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে — প্রথম আলো। বিস্তারিত ও নিশ্চিত তথ্যের জন্য নিচের মূল সূত্রগুলো দেখুন।
এই সারসংক্ষেপ মূল সংবাদমাধ্যমের তথ্য থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি। বিস্তারিত ও নিশ্চিত তথ্যের জন্য মূল সূত্র দেখুন।
নোয়াখালীতে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও দলীয়করণের অভিযোগ
নোয়াখালীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন