নোয়াখালীর সুবর্ণচরের চর আমানুল্লাহ ইউনিয়নের শংকর মজুমদার ফেলে দেওয়া কলাগাছ ও কচুরিপানা দিয়ে পরিবেশবান্ধব সুতা তৈরি করে বিদেশে রপ্তানি করছেন। ইউটিউব দেখে মাত্র ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় মেশিন কিনে এই উদ্যোগ শুরু করেন তিনি। বর্তমানে তার কারখানায় ১০ থেকে ১৫ জন শ্রমিক কাজ করছেন এবং মাসে কয়েক লাখ টাকা আয় হচ্ছে।
উৎপাদিত কলাগাছের সুতা প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা এবং কচুরিপানার সুতা ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কলাগাছের সুতা চীন এবং কচুরিপানার সুতা ইউরোপে যাচ্ছে। প্রতি মাসে প্রায় ১০০ টন সুতার চাহিদা থাকলেও পুঁজি ও মেশিনের স্বল্পতায় তা জোগান দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। সুতা তৈরির অবশিষ্ট বর্জ্য প্রতি কেজি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এই সফলতায় স্থানীয় যুবকদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা খুরশীদ আলম জানান, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর উদ্যমী যুবকদের পাশে আছে এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য বিভিন্ন ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনার কথা উল্লেখ করেন। সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকিব ওসমানও এই বিষয়ে যুক্ত রয়েছেন।
খবরটি ২টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে — Talash BD, দৈনিক ইনকিলাব। বিস্তারিত ও নিশ্চিত তথ্যের জন্য নিচের মূল সূত্রগুলো দেখুন।
এই সারসংক্ষেপ মূল সংবাদমাধ্যমের তথ্য থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি। বিস্তারিত ও নিশ্চিত তথ্যের জন্য মূল সূত্র দেখুন।
সুবর্ণচরের এসিল্যান্ড ছেনমং রাখাইন সরকারি খাল উদ্ধারে কঠোর
সুবর্ণচরে ৩টি ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন, ৬ লাখ টাকা জরিমানা
সুবর্ণচরের একমাত্র জিপিএ-৫ প্রাপ্ত সুমাইয়াকে অভিনন্দন
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পাচারের আগে ৭৬ সুন্ধি কাছিম উদ্ধার