দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় অসুস্থ বাবাকে হারানোর পর চরম আর্থিক দুরবস্থার মুখে পড়েন মো. আরাফাত খান। অনিশ্চয়তায় পড়ালেখার উপক্রম হলে বড় বোন পোশাকশ্রমিক মোসা. রুবি আক্তার কঠোর পরিশ্রম করে সংসারের খরচের পাশাপাশি তাঁর পড়াশোনা চালিয়ে যান।
বড় বোনের ত্যাগ ও নিজের অধ্যবসায় পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার ৮৫৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে একমাত্র শিক্ষার্থী হিসেবে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন আরাফাত। বাজিতা চতুর্থ খণ্ড গ্রামের মৃত মো. ইসমাইল খানের ছেলে আরাফাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে শিক্ষক হতে চান, তবে উচ্চশিক্ষার খরচ নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় আছেন।
খবরটি ৩টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে — Bangla TV, ইত্তেফাক, সমকাল। বিস্তারিত ও নিশ্চিত তথ্যের জন্য নিচের মূল সূত্রগুলো দেখুন।
এই সারসংক্ষেপ মূল সংবাদমাধ্যমের তথ্য থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি। বিস্তারিত ও নিশ্চিত তথ্যের জন্য মূল সূত্র দেখুন।