আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া ও তরুণ প্রজন্মের উদ্যোমী ছন্দে সিরাজগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্প এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। আড়াই লক্ষাধিক তাঁত এবং প্রায় ১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান নিয়ে এই জনপদ দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
একসময়ের হস্তচালিত তাঁতের খটখট শব্দের জায়গায় এখন যুক্ত হয়েছে বিদ্যুৎচালিত পাওয়ার লুম। ফলে উৎপাদন বহুগুণ বেড়ে জেলায় প্রতিবছর গড়ে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার তাঁতপণ্য উৎপাদিত হচ্ছে এবং স্থানীয় শ্রমিকদের তৈরি আন্তর্জাতিক মানের লুঙ্গি ও গামছা বিশ্বমঞ্চে সুনাম কুড়াচ্ছে।
সারা বছর কাজের পাশাপাশি বাংলা নববর্ষ এবং দুই ঈদকে কেন্দ্র করে তাঁতপল্লিগুলোতে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। এই ব্যস্ত মৌসুমে কাজের চাপ তুঙ্গে থাকায় তরুণ শ্রমিক ও স্থানীয় কারিগররা চরম ব্যস্ত সময় পার করেন।
খবরটি ১টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে — Boishakhi Online। বিস্তারিত ও নিশ্চিত তথ্যের জন্য নিচের মূল সূত্রগুলো দেখুন।
এই সারসংক্ষেপ মূল সংবাদমাধ্যমের তথ্য থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি। বিস্তারিত ও নিশ্চিত তথ্যের জন্য মূল সূত্র দেখুন।
তাড়াশে ব্যাংক এশিয়ার গাফিলতিতে ৩ মাস বন্ধ ভাতা
সিরাজগঞ্জ মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃত্বে সুলতান-দুলু-মাজেদ
সিরাজগঞ্জে আ.লীগ ও কৃষকলীগের দুই নেতা কারাগারে
সিরাজগঞ্জে ফেনসিডিল রাখার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন
সিরাজগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত