জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সুনামগঞ্জের হাওড়াঞ্চল নির্ধারিত সময়ের এক মাস আগেই পানিশূন্য হয়ে পড়েছে। এতে বোরো ধানের বীজতলা শুকিয়ে ফেটে চৌচির হয়ে যাওয়ায় কৃষকরা চরম বিপাকে পড়েছেন এবং সেচের খরচ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। ছায়ার হাওড়, দেখার হাওড়সহ বিভিন্ন এলাকার বীজতলায় খরা দেখা দেওয়ায় চারা গজানোর পরিবর্তে সেখানে গবাদিপশু চরানো হচ্ছে।
স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, অক্টোবরের শেষেই পানি নেমে যাওয়ায় এবং বৃষ্টি না থাকায় শুকনো জমি নরম করতে সেচযন্ত্রের মাধ্যমে প্রতি কেয়ারে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়তি খরচ হচ্ছে। উৎপাদিত ধানের সঠিক দাম না পেলে এবং ক্ষতি পুষিয়ে ওঠার ব্যবস্থা না হলে কৃষি বাঁচানো কঠিন হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ওমর ফারুক জানান, খরার প্রভাবের বিষয়ে কৃষকদের আগেই সতর্ক করা হয়েছিল এবং পানির উৎস থেকে পানি নিয়ে বীজতলা প্রস্তুত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চলতি মৌসুমে জেলায় ১০ হাজার ৪৬৮ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
খবরটি ৩টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে — Talash BD, Amar Desh, আমার দেশ। বিস্তারিত ও নিশ্চিত তথ্যের জন্য নিচের মূল সূত্রগুলো দেখুন।
এই সারসংক্ষেপ মূল সংবাদমাধ্যমের তথ্য থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি। বিস্তারিত ও নিশ্চিত তথ্যের জন্য মূল সূত্র দেখুন।
ছাতকে আমন ধান কর্তন উৎসব, ভর্তুকিতে পেলেন ট্রাক্টর
সুনামগঞ্জে নিখোঁজ আতঙ্কে অভিভাবকরা, ৩ মাসে ৩৭ জিডি
মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদে সমাবেশ
সুনামগঞ্জে শুক্রবার ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে
সিলেট বিভাগে হামে ২০৭ মৃত্যু, সুনামগঞ্জে ৭৪